মানুষের অভাব অভিযোগ শুনলেন বিধায়ক শ্রীকান্ত মাহাতো
দি নিউজ লায়ন ; বুধবার পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনি বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের চন্দ্রকোনা রোডের গোবিন্দ চক গ্রামে গিয়ে মানুষের অভাব অভিযোগের কথা শুনলেন শালবনির বিধায়ক শ্রীকান্ত মাহাতো ।বুধবার তৃণমূল কংগ্রেসের গড়বেতা তিন নম্বর ব্লকের সভাপতি রাজীব ঘোষ ও দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বিধায়ক শ্রীকান্ত মাহাতো গোবিন্দ চক গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে যান ।
সেই সঙ্গে তিনি গ্রামবাসীদের সাথে কথা বলেন। ওই গ্রামের কোথাও কোনো সমস্যা রয়েছে কিনা, গ্রামবাসীরা সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন কিনা, প্রতিটি মানুষের স্বাস্থ্য সাথী কার্ড হয়েছে কিনা তা তিনি বিস্তারিতভাবে তা জানার জন্য গ্রামবাসীদের সাথে কথা বলেন। সেই সঙ্গে মানুষের অভাব অভিযোগ গুলি খাতায় লিপিবদ্ধ করেন বিধায়ক শ্রীকান্ত মাহাতো। তিনি বলেন এই এলাকায় গত দশ বছরে অনেক উন্নয়ন এর কাজ হয়েছে ।প্রতিটি বাড়িতে রাজ্য সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছেছে। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হয়েছে। স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়ন হয়েছে।
তিনি গ্রামবাসীদের বলেন বাংলার মানুষের দরকার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর সরকার না থাকলে বিনা পয়সায় চাল পাওয়া যাবেনা।বিনা পয়সায় চিকিৎসা পাওয়া যাবেনা। কন্যাশ্রী পাওয়া যাবেনা, যুবশ্রী পাওয়া যাবেনা ,খাদ্যসাথী ও পাওয়া যাবে না, বাংলা আবাস যোজনার বাড়ি পাওয়া যাবে না । আপনারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে থাকুন তিনি আপনাদের পাশে রয়েছেন। বিজেপির কোন হুমকি কে আপনারা ভয় করবেন না। কারণ যারা বাংলার মানুষের ভালো চায় না , যারা বাংলায় সন্ত্রাস সৃষ্টি করতে চায়।
তাদের বিরুদ্ধে আপনারা রুখে দাঁড়াবেন। তিনি কৃষকদের বলেন আপনারা চিন্তা করবেন না আপনাদের পাশে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষক বিরোধী কৃষি বিল পাস করেছে। সেই কৃষি বিল বাতিলের দাবিতে আপনারা বিজেপিকে প্রত্যাখ্যান করুন। সেই সঙ্গে তিনি বলেন আমি আপনাদের পাশে রয়েছি।
আপনাদের বিপদে-আপদে যখন আমাকে ডাকবেন আমি আপনাদের পাশে এসে দাঁড়াবো ।বিধায়ক কে কাছে পেয়ে খুশি এলাকার বাসিন্দারা। তাই গ্রামবাসীদের অনুরোধে তিনি দলীয় কর্মীদের বাড়িতে দুপুরের আহার করেন ।গ্রামবাসীরা বলেন বিধায়ককে ডাকলেই পাওয়া যায়। তিনি আমাদের ডাকে সাড়া দেন এবং এই এলাকার উন্নয়নে কাজ করেছে। কিছু কাজ হয়তো বাকি রয়েছে সেগুলো ধীরে ধীরে হবে বলে গ্রামবাসীরা আশা করেন।

Post a Comment